মাশরুমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা কি | মাশরুমের উপকারিতা কি !

By | February 10, 2019

উদ্ভিদ বিশেষজ্ঞগনের গবেষণা মতে-নিয়মিত বা নিয়ম করে মাশরুম খাওয়ার অভ্যাস করলে দূরারোগ্য ব্যাধির দাবানল থেকে মুক্ত ও সুস্হ্য থাকা যায়। তাছাড়া পবিএ কোরআনে (সুরা বাকারাহ-৫৭,৫৮ নং আয়াত দ্রঃ) মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, মানব জাতীকে মাশরুম উপহার হিসেবে দিয়েছেন এবং আহার করতে বলেছেন। মাশরুমে অনেক পুষ্টিগুণ ও ঔষধিগুণ বিদ্যমান রয়েছে। উদ্ভিদ বিজ্ঞানিরা আরোও বলেন যে, মাশরুম যে সমস্ত রোগ নিরাময় করে নিম্মে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলঃ

১। হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে- মাশরুমে ইরিটাডেনিন,লোভাষ্টিন,এনটাডেনিন, লিনোলেয়িক খাদ্য উপাদান এসিড বিদ্যমান থাকায়- কোলেষ্টরেল, চর্বি, শর্করা, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ বিশেষ করে করোনারী আর্টারী রোগ এর নিরাময়ক।

২। ডায়াবেটিস রোগ- মাশরুমে আশঁ (Fiber) অতিরিক্ত থাকায় নিয়মিত মাশরুম খেলে ব্লাড সুগার একেবারে কমিয়ে আনা সম্ভব। গবেষনায় তা প্রমানিত হয়েছে।

৩। শিশু রোগ প্রতিরোধে- মাশরুমে আমিশ, ভিটামিন, নিয়াসিন, অ্যাসকরাবিক এসিড পর্যাপ্ত পরিমানে বিদ্যমান থাকায় গর্ভবতি মা ও শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং বাড়াতে সাহায্য করে।

৪। হেপাটাইটিস-বি ও জন্ডিস- মাশরুমে অধিক পরিমানে ফলিক এসিড, লৌহ, লিংকজাই-৮ নামক এমাইনো এসিড আছে বলে হেপাটাইটিস-বি ও জন্ডিস নিরাময় এবং প্রতিরোধ করে।

৫। রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়া- মাশরুমে জিংক, আয়রন, পুষ্টি, ভিটামিন, ক্যালসিয়াম থাকায় রক্তস্বল্পতার মত রোগ নিরাময় ও প্রতিরোধ করে থাকে।

৬। হাঁড় ও দাঁত গঠনে- মাশরুমে অধিক পরিমানে ক্যালসিয়াম, ফসফরাল ও ভিটামিন-ডি থাকায় হাঁড়-দাঁত গঠন এবং ক্ষয়রোগ রোধকে কার্যকর।

৭। চুলপাকা ও চুলপড়া রোধকে- মাশরুমে পর্যাপ্ত পরিমানে সালফার এমাইনো এসিড, সোডিয়াম নামক খনিজ আছে বলে চুলপাকা ও চুলপড়া রোধ করে থাকে।

৮। মেদভূড়ি –যাদের দেহের ওজন ও মেদভূড়ি কমাতে চান কিংবা আয়েত্তে রাখতে চান তাদের নিয়মিত মাশরুম খাওয়ার অভ্যাস করুন। মাশরুম উক্ত সমস্যার জন্য বিশেষ কার্যকর বলে প্রমানিত।

৯। কিডনি রোগ প্রতিরোধে- আমাদের দেশে বছরে অনেক লোক কিডনি রোগে মারা যায়। এই ভয়াবহ রোগ থেকে মুক্ত থাকতে নিয়মিত বা নিয়ম করে মাশরুম খান। মাশরুমে নিউক্লিক এসিড, এন্টিএলার্জেন থাকায় কিডনি রোগ ও এলার্জি রোগ প্রতিরোধক।

১০। যৌন অক্ষমতায়- মাশরুমে প্রচুর পরিমানে গ্লাইকোজেন ও জিংক থাকায় যৌন দূর্বলতা নিরাময়ক এবং দীর্ঘদিন যৌবন অক্ষুন্ন রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

১১। দৃষ্টি শক্তি- মাশরুমে পর্যাপ্ত খনিজ লবন থাকায় চোখের দৃষ্টিশক্তি রক্ষার জন্য বিশেষ ভুমিকা রাখে বলে প্রমানিত। তাই দৃষ্টিহীন রোগ থেকে মুক্ত থাকতে নিয়মিত
মাশরুম খাওয়ার অভ্যাস করুন।

১২। হাইপার টেনশন এবং ব্রেইন- মাশরুমে স্পিঙ্গ লিপিড, ভিটামিন-বি-আর বেশি থাকায় স্নায়ুতন্র স্পাইনাল কর্ড সুস্হ্য ও হাইপার টেনশন দূর করতে বিশেষ কার্যকর।

১৩। ক্যান্সার ও টিউমার মাশরুমে বেটা-ডি গ্লুমেন, লেম্পটোল, টারপিনওয়েড, গ্রুপ বেনজোপাইরিন, ট্রাইটার পিন,এডিনোসি ও ইলুডিন উপাদান বিদ্যমান যা ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধে সহায়ক। এছাড়াও গেটেবাত, কোষ্ঠকাঠিণ্য, চর্মরোগ, আমাশয়, ডেঙ্গুজ্বর, যকৃত, ডিউডোনাল আলসার,আর্থ্রাইটিস-বাত, গ্রন্হিবাত, স্নায়ুবিক দূর্বলতা, গ্যাষ্ট্রিক, মাথাব্যথা ইত্যাদি রোগ নিরাময়ক বলে তা বৈজ্ঞানিক গবেষনায় প্রমানিত।

more offer-

29 total views, 2 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *